English Arabic French German Hindi Italian Portuguese Russian Spanish

Related Article

হাইক্কার খালের অবস্থা শোচনীয় খননযন্ত্রও কাজে বেগ পাচ্ছে

Print
AddThis Social Bookmark Button

অরূপ দত্ত | তারিখ: ০৮-০৩-২০১২

শুকিয়ে ভরাট হয়ে গেছে ‘হাইক্কার খাল’। এ কারণে খালের বর্জ্য ও শক্ত মাটি অপসারণ করতে গিয়ে হিমশিম খা�

শুকিয়ে ভরাট হয়ে গেছে ‘হাইক্কার খাল’। এ কারণে খালের বর্জ্য ও শক্ত মাটি অপসারণ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। ছবিটি রাজধানীর রায়েরবাজার এলাকা থেকে সম্প্রতি তোলা

প্রথম আলো

বুড়িগঙ্গা নদীর শাখা হিসেবে পরিচিত রায়েরবাজার এলাকার হাইক্কার খালের বর্জ্য ও শক্ত মাটি অপসারণ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। খালের বেশির ভাগ অংশে খননযন্ত্র (ড্রেজার) কাজ করতে বেগ পাচ্ছে। খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্র প্রথম আলোকে এ কথা জানিয়েছে। সম্প্রতি সরেজমিনে এ প্রতিবেদক নিজেও বিষয়টি দেখতে পান। আগে হাইক্কার খালের গভীরতা ছিল ১৩ ফুট। দখলে-দূষণে খালটির অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার উপক্রম। এর তলায় পাঁচ ফুট পুরু হয়ে বর্জ্য জমেছে। তার নিচে রয়েছে আট ফুট শক্ত মাটি। এ জন্য খাল খনন করতে করতে থেমে যাচ্ছে ড্রেজার। ‘রায়েরবাজারসংলগ্ন হাইক্কার খাল সঞ্চিত বর্জ্য অপসারণ প্রকল্প’ নামের এই প্রকল্পের অধীনে বর্জ্য খনন ও অপসারণের কাজ চলছে এক মাসের বেশি সময় ধরে। শহীদ স্মৃতি সেতুর কাছে বুড়িগঙ্গা নদীর মূলধারা থেকে রায়েরবাজার বধ্যভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত হাইক্কার খাল।

প্রকল্প ও এর সমস্যা: জেলা প্রশাসনের জরিপ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিআইডব্লিউটিএ বর্জ্য খনন ও অপসারণ প্রকল্প হাতে নেয়। এতে হাইক্কার খালকে আগের মতো ১৩ ফুট গভীর, চওড়ায় ১০০ ফুট করা হবে। এ ছাড়া দুই ধারে ১০ ফুট করে দুটি রাস্তা করা হবে। সম্প্রতি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, রায়েরবাজার স্লুইসগেটের মুখে খালটি প্রায় শুকনো। খননযন্ত্র একটু একটু করে খালের বর্জ্য ও মাটি কাটছে। প্রকল্পে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মো. গিয়াসউদ্দিন এ সময় জানান, ১৩ দিনের চেষ্টায় ৩০০ ফুটের মতো অংশ খনন সম্ভব হয়েছে। তবে ১২০ ফুট চওড়া খালের মধ্যে এলাকাভেদে ৫০ থেকে ৮০ ফুট অংশের বেশি খনন করা সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) যুগ্ম সম্পাদক শরীফ জামিল প্রথম আলোকে বলেন, হাজারীবাগের ট্যানারিগুলোর বর্জ্য সরাসরি এ খালে পড়ে। এ ছাড়া দীর্ঘদিনের দখল ও অযত্ন-অবহেলায় খালটির এ হাল হয়েছে। হাইক্কার খালের গুরুত্ব: প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে জেলা প্রশাসনের একটি জরিপের ওপর ভিত্তি করে। জরিপে উল্লেখ করা হয়, হাইক্কার খালের বিভিন্ন অংশে স্থানীয় কিছু লোক এবং ভূমিদস্যুরা মাটি ভরাট করে তাদের মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেছে। এ ছাড়া বর্জ্যের কারণে এবং দীর্ঘদিন ধরে খনন না করায় খালের বিভিন্ন অংশ শুকিয়ে গেছে। খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় জনসাধারণ পণ্য পরিবহন করতে খুবই অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে। এ ছাড়া মোহাম্মদপুর এলাকার নর্দমা ও বৃষ্টির পানি এই খালের মাধ্যমেই বুড়িগঙ্গায় পড়ে। খালটি প্রায় ভরাট হয়ে যাওয়ায় মোহাম্মদপুর ও রায়েরবাজার এলাকায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। যোগাযোগ করা হলে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান মো. শামছুদ্দোহা খন্দকার প্রথম আলোকে বলেন, প্রকল্পে তেমন কোনো সমস্যা নেই। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সদরঘাট থেকে গাবতলী পর্যন্ত নৌপথ ভালোভাবেই সচল হবে।


Source : prothom Alo

Add comment


Security code
Refresh

| + - | RTL - LTR